About Us

Friday, September 15, 2023

 

বিধবা বলতে কী বুঝি? জানা কথায় যে মহিলার স্বামী মারা যায় তাকেই বিধবা বলে। কিন্তু কোনো হিন্দু মহিলা যখন বিধবা হয়, তখন তার কী অবস্থা হয়, আসুন আজকে সেটাই দেখি। Contents Hide 1 সতীদাহ – আগুনে জ্যান্ত পোড়ার অধিকার 2 নিয়োগ – দেবর দ্বারা ধর্ষিতা হওয়ার অধিকার 3 দ্বিতীয়বার বিবাহ করার অপরাধ 3.1 আবার বিয়ে করা পরিবারকে পুড়িয়ে দেয় 3.2 সন্তান হলে ২১ প্রজন্মের বিপদ 3.3 কোনো বাড়িতে আসা যাওয়া করলে সে বাড়ির লোকেরও বিপদ 3.4 নিজের বাবা কৃমি হয়ে জন্মাবে 3.5 নতুন স্বামী পরজন্মে কৃমি হয়ে জন্মায় 3.6 নিজের ছেলে ও নতুন স্বামী কোনো অনুষ্ঠান-কাজে থাকতে পারবে না 3.7 ছেলের দেওয়া খাবার কেউ খাবে না 3.8 পুনরায় বিবাহিত বিধবা ও তার স্বামীর দেওয়া খাবারও কেউ খাবে না 4 বিধবাদের সন্তানদের বানানো খাবার খাওয়া যাবে না 5 বিধবাদের সাথে কথা বলা উচিত না 6 বিধবা মহিলাদের সাজগোজের অধিকার নেই 7 বিধবারা অলংকার পড়তে পারবে না 8 বিধবারা শোভাবিহীন 9 বিধবারা অশুভ 9.1 বিধবাদের দেখতে নেই 9.2 বিধবারা সবচেয়ে বড় অশুভ 10 মৃত স্বামীর মূর্তি বানিয়ে পূজা করতে হবে 11 সুগন্ধি সাবান দিয়ে গোসল করা যাবে না 12 বিধবা হওয়ার কারণ 12.1 বিয়ের কারণেই বিধবা 12.2 চুলের কারণে বিধবা 12.2.1 বাঁকা চুল এবং গোলাকার চোখযুক্ত মহিলা বিধবা হয় 12.2.2 চুলের কূপে তিনটি চুল থাকলে বিধবা 12.2.3 চুল তেঁতুল রঙের হলে বিধবা 12.2.4 ঘাড়ের পেছনে কোঁকড়া চুল এবং এক বছর পর বিধবা 12.3 স্তনে লোম থাকলে নারীরা বিধবা হয় 12.3.1 স্তনে তিল থাকলে বিধবা 12.4 উরুর কারণে বিধবা 12.5 নিতম্বের কারণে বিধবা 12.6 কাঁধের কারণে বিধবা 12.7 হাতে লোম থাকলে বিধবা 12.7.1 হাতের রেখার কারণে বিধবা 12.7.2 তালু সাদা হলে বিধবা 12.8 নাকের কারণে বিধবা 12.9 চোখের কারণে বিধবা 12.10 মাথা বড় হলে বিধবা 12.11 ঘাড়ের কারণে বিধবা 12.12 হাঁটার স্টাইলের কারণে বিধবা 12.13 বউ তালাক্ব দিলে পরজন্মে বিধবা 12.14 সতীনে সতীনে ঝগড়ার পাপে বিধবা হওয়া 12.15 বুড়ো আঙুল মোটা হলে বিধবা 13 ব্যবসা – সিদ্ধান্ত এমন কোনো কাজেই অধিকার নেই 14 বিধবার চুল কামিয়ে রাখতে হবে 15 সারাদিনে একবার মাত্র খাবে তাও নিরামিষ, এবং মাসে ১৫-৩০ দিন উপোষ 16 মাটিতে ঘুমাতে হবে 17 পারফিউম ব্যবহার করা যাবে না 18 ব্লাউজ পড়তে পারবে না, জীবনের বিপদ থাকলেও গাড়িতে চড়বে না 19 সন্তানের অনুমতি ছাড়া কিছুই করতে পারবে না 20 রঙিন পোশাক পড়ার অধিকার নেই 21 কোনো বিয়েতে বিধবারা যেতে পারবে না 22 বিধবাদের অশ্লীল যৌনাচার এবং চরম অপমান!

Read more here: https://www.frommuslims.com/%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%A7%E0%A6%BF/

 


মূল কাহিনি:- চিরাচরিত নিয়ম অনুযাই একদিন মহাদেব তার পত্নী পার্বতীর সাথে সঙ্গমে লিপ্ত হয়। পার্বতী হলো দূর্গার অপর নাম। যখন মাহাদেবের প্রমত্ত যৌন উত্তেজনার ফলে পার্বতী মরনাপন্ন হয়ে পড়ে, তখন পার্বতী প্রান রক্ষার জন্য ভগবান কৃষ্ণের উদ্দেশ্যে প্রার্থণা করতে থাকে। এ অবস্থায় কৃষ্ণ তার সুদর্শন চক্রের দ্বারা উভয় লিঙ্গ কেটে দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন করে পার্বতীর প্রান রক্ষা করেন। আর এই স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য প্রবর্তন হয় এই যুক্তলিঙ্গ পূজা । (ভগবত, নবম স্কন্ধঃ৫৯৮) এর পর পার্বতী নিজ যৌন চাহিদা মিটাতো তার পেছনের রাস্তা অর্থাৎ.... দিয়ে। আর মাহাদেব যেহেতু লিঙ্গ কাটার পর পার্বতীর যৌন চাহিদা পুরা করতে পারত না। তাই পার্বতী অন্যান্য ভগবানদের সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হত। একদিনের ঘটনা। পার্বতী ভগবান বিষ্ণুর সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হয়েছে। ঠিক এমন সময় সেখানে গনেশ এসে হাজির। গনেশ ছিল পার্বতীর আপন ছেলে। তখন পার্বতী গনেশের থেকে নিজেকে লুকানোর জন্য নিজ চেহারা তুলশীর চেহারায় পরিবর্তন করে ফেলে। তুলশীর সাথে গনেশের পূর্ব থেকে যৌন সম্পর্ক ছিল। তখন গনেশ নিজ মা পার্বতীকে তুলশী ভেবে তার সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হন। পরবর্তীতে এই ঘটনা মহাদেব জানতে পেরে অভিশাপ দিয়ে নিজ ছেলে গনেশের মাথা হাতির মাথায় পরিবর্তন করে দেয় । (স্কন্ধ পুরাণ, নাগর খন্ডম ৪৪৪১, পৃঃ১-১৬) ব্রহ্মা তার কন্যা স্বরস্বতির রুপে মুগ্ধ হয়ে তার সাথে সঙ্গম ইচ্ছা প্রকাশ করলেন। স্বরস্বতি তার পিতার হাত থেকে বাচার জন্য ভুমির চারদিকে ছুটে বেড়াতে লাগলেন কিন্তু ব্রহ্মার হাত থেকে বাচতে পারলেন না। তারা স্বামী-স্ত্রী রুপে ১০০ বছর বাস করলেন এবং সয়ম্ভুমারু ও শতরুপা নামক এক ছেলে ও এক মেয়ের জন্ম দিলেন। সয়ম্ভুমারু ও শতরুপাও স্বামী স্ত্রী রুপে বসবাস করতে লাগলেন। Aitreaya Brahmana III : 33 // Satapatha Brahmana 1 : 4 : 7 : 1ff // Matsya Purana III : 32ff // Bhagabhata Purana III : 12 : 28ff এবার আমরা দেখি প্রভু কৃষ্ণের নস্টামীঃ -- মাউলানীর যৌবনে কাহ্নের মন। বিধুমুখে বোলেঁ কাহ্নাঞিঁ মধুর বচন॥ সম্বন্ধ না মানে কাহ্নাঞিঁ মোকে বোলেঁ শালী। লজ্জা দৃষ্টি হরিল ভাগিনা বনমালী ॥ দেহ বৈরি হৈল মোকে এরুপ যৌবন। কাহ্ন লজ্জা হরিল দেখিআঁ মোর তন ॥ (শ্রীকৃষ্ণ কীর্ত্তনের দানখন্ডঃ রামগিরীরাগঃ পৃষ্ঠাঃ ২০) (শব্দার্থঃ মাউলানী- মামী, কাহ্নের- কৃষ্ণের, বোলেঁ- বলে, হরিল- হারাল, বনমালী- কৃষ্ণ, মোকে- আমাকে, দেখিআঁ- দেখে, তন- স্তন।) কৃষ্ণ তার মামী যৌবন, স্তন দেখে যৌন কাতর হয়েছিল। হিন্দু ধর্মে এদের নস্টামীর কাহিনী কম বেশি সকলেরই জানা আছে। এই কৃষ্ণ আবার তার বউ এর বান্ধবীর সাথে বিহার কালে ধরা খান। (ব্রহ্মবৈর্বতপু রাণ, প্রকৃতিখন্ডম, একাদশোহধ্যায়ঃ, পৃষ্ঠা নং- ৬২২-৬৩) পরের স্ত্রীর (সীতার) রুপ- যৌবনের বর্ণনায় পটু যিনি তিনি রাবন। (রামায়ন: ৩:৪৪:১৫-১৯)

 



দেবতাদের আমরা সৎ ও ন্যায়পরায়ণ ভাবতেই ভালোবাসি। ভক্ত বিশ্বাস করে, ভগবান কেবলই দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন করে থাকেন। কিন্তু সেই দেবতাই যদি হয়ে ওঠে শয়তান, লম্পট ও ধর্ষক? তবে কি মানুষ তার বিবেকের কাঠগোড়ায় দেবতাকেও দাঁড় করাবে? নাকি ক্ষমতাবলে ছাড় পেয়ে যাবে ভ্রষ্ট দেবতা? বর্তমান সময়ে নারীদের উপর বেড়ে চলা সহিংসতা,ধর্ষণ আমাদের যখন বিব্রত করে চলেছে তখন ধর্মগ্রন্থগুলোতে দৃষ্টিপাত করলে দেখা যাবে সত্যযুগ থেকে কলিযুগ অবধি কিছুই বদলায়নি। কলির অধঃপতিত পুরুষের মত সত্যের পরমপূজ্য ঋষি,দেবতারাও ধর্ষণের ন্যায় অপকর্মে জড়িত।
মূল তালিকা
বৃহস্পতি
অশ্বীনিকুমার
বরুণ
সূর্য
ইন্দ্র
বিষ্ণু
রাক্ষস বিবাহ
উপনিষদের অমানবিকতা
তথ্যসূত্র ও টীকা-
বৃহস্পতি
প্রথমে দেবগুরু বৃহস্পতির কথা দিয়ে শুরু করা যাক।দেবতাদের গুরু বৃহস্পতি তার ভ্রাতৃবধূ মমতাকে ধর্ষণ করেন। বৃহস্পতির ভাই ছিলেন উতথ্য ঋষি। তার স্ত্রী হলেন মমতা। একদিন বৃহস্পতি কামাতুর মনে মমতার কাছে উপস্থিত হন। তাকে দেখে মমতা জানান তিনি তার স্বামী অর্থাৎ বৃহস্পতির দাদা উতথ্য ঋষির দ্বারা গর্ভবতী হয়েছেন। এক গর্ভে যেহেতু দুই সন্তানের স্থান হওয়া অসম্ভব এবং বৃহস্পতিও অমোঘরেতাঃ তাই মমতা বৃহস্পতির সাথে মিলিত হতে অসম্মতি জানান-
“হে মহাভাগ! আমি তোমার জ্যেষ্ঠের সহযোগে অন্তর্বত্নী হইয়াছি, অতএব রমণেচ্ছা সংবরণ কর। আমার গর্ভস্থ উতথ্যকুমার কুক্ষিমধ্যেই ষড়ঙ্গ বেদ অধ্যয়ণ করিতেছেন। তুমিও অমোঘরেতাঃ ; এক গর্ভে দুইজনের সম্ভব নিতান্ত অসম্ভব।অদ্য এই দুব্যবসায় হইতে নিবৃত্ত হও।”
মমতার অসম্মতি সত্বেও দেবগুরু বৃহস্পতি তাকে ধর্ষণ করেন। বৃহস্পতিকে ধর্ষণ করতে দেখে মমতার গর্ভস্থ শিশু বলে ওঠে, “ভগবন! মদনাবেগ সংবরণ করুন। স্বল্পপরিসরে উভয়ের সম্ভব অত্যন্ত অসম্ভব। আমি পূর্বে এই গর্ভে জন্মগ্রহণ করিয়াছি, অতএব অমোঘরেতঃপাত দ্বারা আমাকে পীড়িত করা আপনার নিতান্ত অযোগ্য কর্ম হইতেছে, সন্দেহ নাই।”
বৃহস্পতি গর্ভস্থ শিশুটির কথায় কর্ণপাত না করে তার নিকৃষ্ট কাজ করতে থাকেন। গর্ভস্থ শিশু বৃহস্পতির এই অন্যায় আচরণ দেখে নিজের পা দিয়ে শুক্রের পথ রোধ করেন।বীর্য মমতার গর্ভে প্রবেশ করতে না পেরে মাটিতে পতিত হয়। এতে রেগে গিয়ে বৃহস্পতি সেই শিশুটিকে অন্ধ হওয়ার অভিশাপ দেন।পরে ওই শিশুটির নাম হয় দীর্ঘতমা।
[কালিপ্রসন্ন সিংহের অনুবাদিত মহাভারত / আদিপর্ব / চতুরধিকশততম অধ্যায় (১০৪ অধ্যায়)]
চন্দ্র
চন্দ্র দেবতা বৃহস্পতির স্ত্রী তারাকে ধর্ষণ করেছিলেন। ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে এই ঘটনাটি উল্লেখিত আছে –
“তারারে হরণ করে দেব শশধর।
তারাদেবী গর্ভবতী হয় অতঃপর।।
সগর্ভা তারারে হেরি গুরু বৃহস্পতি।
ভর্ৎসনা করিল তারে ক্রোধভরে অতি।।
লজ্জিত হইয়া তারা চন্দ্রে দিল শাপ।
শুন শুন চন্দ্র তুমি করিলে যে পাপ।।
কলঙ্কী হইবে তুমি তাহার কারণ।
তোমার দর্শনে পাপ হবে অনুক্ষণ।।“
[ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ/ কৃষ্ণ জন্ম খন্ড/৮০ অধ্যায়,অনুবাদক- সুবোধ চন্দ্র মজুমদার]
অশ্বীনিকুমার
ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে অশ্বীনিকুমারের এক ব্রাহ্মণীকে ধর্ষণের ঘটনা উক্ত হয়েছে। ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে (ব্রহ্মখণ্ড/১০) বলা হয়েছে,
“শৌনক কহিলা সৌতি না পারি বুঝিতে
অশ্বীনিকুমার কেন রত ব্রাহ্মণীতে।।
সৌতি কহে মুনিবর দৈবের ঘটনা ।
ব্রাহ্মণী তীর্থেতে যায় অতি সুদর্শনা।।
পথশ্রমে ক্লান্ত অতি বিশ্রাম কারণ।
পশিল দেখিয়া এক নির্জন কানন।।
ব্রাহ্মণী বসিয়া আছে বিশ্রামের আশে।
অশ্বীনিকুমার দৈবযোগে তথা আসে।।
তাহারে দেখিয়ে পথে অশ্বীনিকুমার।
সৌন্দর্যবিমুগ্ধ মনে কাম জাগে তার।।
সুন্দরীর রূপ দেখি কাম জাগে মনে।
তাহারে ধরিতে যায় অতি সঙ্গোপনে।।
রূপবতী সতী নারী নিষেধ করিল।
কামার্ত অশ্বীনিপুত্র তাহা না শুনিল।।
নিকটেই মনোহর ছিল পুষ্পোদ্যান।
সবলে আনিয়া সেথা করে গর্ভাধান।।
লজ্জ্বা ভয়ে ব্রাহ্মণী সে গর্ভত্যাগ করে।
তখনি জন্মিল পুত্র ধরার উপরে।।“
[অনুবাদক- সুবোধ চন্দ্র মজুমদার]
বরুণ
মহাভারতে (অনুশাসন পর্ব / ১৫৪) বরুণদেবকে চন্দ্রের কন্যা উতথ্যের স্ত্রী ভদ্রার রূপে মুগ্ধ হয়ে তাকে হরণ করে নিয়ে যেতে দেখা যায়। অনেক পীড়াপীড়ি সত্ত্বেও বরুণ যখন ভদ্রাকে ফিরিয়ে দিলেন না, উতথ্য তখন সমস্ত জলরাশি পান করতে উদ্যত হলে ,বরুণ ভয় পেয়ে ভদ্রাকে ফিরিয়ে দেন-
“বহুকাল পূর্বে বরুণ নারীটির প্রতি অভিলাষী হয়েছিলেন।উতথ্যের স্ত্রী যখন যমুনায় স্নান করতে যাচ্ছিলেন তখন উতথ্য যে বনে বাস করতেন সেখানে উপস্থিত হয়ে বরুণ তার স্ত্রীকে হরণ করেন। তাকে অপহরণ করে বরুণ তাকে তার ভবনে নিয়ে যান।… বরুণ তার সাথে বিহার করেন।…” [1]
সূর্য
ঘটনাটি কুন্তির বিবাহের আগের। কুন্তির সেবায় সন্তুষ্ট হয়ে দুর্বাসা মুনি কুন্তিকে একটি মন্ত্র দিয়েছিলেন, যে মন্ত্রবলে দেবতাদের সঙ্গমের জন্য ডাকা যেত। মন্ত্রের কার্যকারিতা পরীক্ষা করার জন্য কুন্তি মন্ত্রবলে সূর্যকে ডাকেন। সূর্যও সত্যি সত্যি মানুষের রূপ ধরে কুন্তির সামনে এসে উপস্থিত হন। অবিবাহিতা কুন্তি সূর্যকে দেখে ভয় পেয়ে যান এবং তাকে ফিরে যেতে বলেন। সূর্য ফিরে যেতে সম্মত হন না বরং কুন্তিকে অভিশাপের ভয় দেখিয়ে তার সাথে সহবাস করেন।
সূর্য কুন্তিকে বলেছিলেন, “ আমি যদি ব্যর্থ হয়ে ফিরে যাই তবে দেবতাদের নিকট হাসির বস্তুতে পরিণত হব। হে কুন্তি! তুমি যদি আমাকে সন্তুষ্ট না কর তবে আমি তোমাকে এবং যে ব্রাহ্মণ তোমাকে মন্ত্রটি দিয়েছে তাকে অভিশাপ দেব।“ [2]
এছাড়া সূর্য কুন্তিকে বর দিয়েছিলেন যে সন্তান প্রসবের পরও কুন্তির কুমারিত্ব বজায় থাকবে।
ভয় দেখিয়ে নারী সহবাসকে ধর্ষণ ছাড়া আর কি বলা যেতে পারে?
[দেবী ভাগবত ২/৬ ;অনুবাদক-স্বামী বিজ্ঞানানন্দ]
ইন্দ্র
সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মা অহল্যা নামের এক অপরূপা নারীকে সৃষ্টি করেছিলেন। ‘অহল্যা’ শব্দের অর্থ হল ‘অনিন্দনীয়া’। ‘যার মধ্যে কোনো বিরূপতা নেই তিনিই অহল্যা’। এই জন্যেই ব্রহ্মা নারীটির ‘অহল্যা’ নামকরণ করেন। ‘অহল্যা কার পত্নী হবেন- এই নিয়ে স্রষ্টা চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন। দেবতাদের রাজা হওয়ার কারণে ইন্দ্র ভাবলেন, অহল্যা তারই পত্নী হবেন কিন্তু ব্রহ্মা অহল্যাকে গৌতম মুনির কাছে গচ্ছিত রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন এবং বহুকাল পরে গৌতম অহল্যাকে পুনরায় ব্রহ্মার কাছে ফিরিয়ে দেন। গৌতমের সংযম দেখে ব্রহ্মা অত্যন্ত সন্তুষ্ট হন এবং অহল্যাকে তার স্ত্রী করে দেন। অহল্যাকে গৌতমের স্ত্রী হতে দেখে দেবতারা হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। এতে দেবতাদের রাজা ইন্দ্র ভীষণ রেগে যান এবং গৌতমের আশ্রমে উপস্থিত হয়ে ক্রুদ্ধ ইন্দ্র অহল্যাকে দেখতে পান।
এর পর একই ঘটনার দুই ধরণের বিবরণ বাল্মীকির রামায়ণে পাওয়া যায়। একটি অনুসারে ইন্দ্র অহল্যাকে ধর্ষণ করেছিলেন। অপরটি অনুসারে অহল্যা ইন্দ্রের সাথে ব্যভিচারে রত হয়েছিলেন।
ইন্দ্রের অহল্যা ধর্ষণ প্রসঙ্গে ব্রহ্মা বলেন,
“ ইন্দ্র তুমি কামপীড়িত হইয়া অহল্যাকে বলাৎকার করিলে…”
অহল্যাকে ধর্ষণ করে পালানোর সময় ইন্দ্র গৌতমের কাছে ধরা পড়ে যান।ক্রুদ্ধ গৌতম ইন্দ্রকে দেখতে পেয়ে, কুপিত হয়ে ইন্দ্রকে অভিশাপ দেন,
“ ইন্দ্র! তুমি নির্ভয় চিত্তে আমার পত্নীকে বলাৎকার করেছ। সুতরাং দেবরাজ ,তুমি যুদ্ধে শত্রুর হস্তগত হবে। দেবেন্দ্র! এইজন্যই তোমার দশা পরিবর্তন ঘটেছে। তুমি ইহলোকে যে ভাব প্রবর্তিত করলে, তোমার দোষে মনুষ্যলোকেও এই জারভাব প্রবর্তিত হবে, পাপের অর্ধেক অংশ তার হবে এবং পাপের অর্ধেক অংশ তোমাকে স্পর্শ করবে; আর তোমার স্থান স্থির থাকবে না, এতে সংশয় নাই। যিনি যিনি দেবতাদের রাজা হবেন তিনি স্থির থাকবেন না”
এরপর গৌতম তার পত্নী অহল্যাকে অতীব তিরস্কার করেন। গৌতম বলেন,
“ আমার আশ্রমের কাছে তুমি সৌন্দর্যহীনা হয়ে থাক। তুমি রূপবতী এবং যুবতী বলেই গর্বে অস্থির হয়েছ, বিশেষত এতদিন পর্যন্ত তুমি একাকিনীই ইহলোকে রূপবতী ছিলে, কিন্তু এখন আর তা হবে না, তোমার একত্রস্থিত রূপরাশি দেখেই ইন্দ্রের দেহবিকার জন্মেছে; সুতরাং তোমার রূপ প্রজামাত্রেই পাবে, সন্দেহ নাই।“
এই কথা শুনে অহল্যা বলেন,
“বিপ্রশ্রেষ্ঠ! স্বর্গবাসী ইন্দ্র তোমার রূপ ধরে অজ্ঞানবশত আমাকে বলাৎকার করেছে, বিশেষত আমার কামাচারবশত এটা সংঘটিত হয়নি”
[বাল্মীকি রামায়ণ/ উত্তর কাণ্ড/ ৩৫ সর্গ]
বিষ্ণু
পুরাণ অনুযায়ী,শঙ্খচূড় বরপ্রাপ্ত ছিল, যতক্ষণ অবধি তার পত্নী তুলসীর (তথাকথিত) সতীত্ব বজায় থাকবে, ততক্ষণ শঙ্খচূড় যুদ্ধে অপরাজেয় থাকবে। সুতরাং শঙ্খচূড়কে যুদ্ধে পরাজিত করার জন্য ভগবান বিষ্ণু শঙ্খচূড়ের রূপ ধরে শঙ্খচূড়ের পত্নী তুলসীকে ধর্ষণ করেন। তুলসীকে ধর্ষণ করার পর শঙ্খচূড়কে সহজেই হত্যা করা হয়। ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে ভগবান বিষ্ণুর ধর্ষণ লীলা এইভাবে বর্ণিত আছে-
“কবচ গ্রহণ করি বিষ্ণু অতঃপর।
তুলসীর নিকটেতে চলিলা সত্ত্বর।।
শঙ্খচূড় রূপে সেথা করিয়া গমন।
তুলসীর সতীধর্ম করিলা হরণ।।
না জানিলা দৈত্যপত্নী কি পাপ হইল।
দেবতা ছলনা করি সতীত্ব নাশিল।।
যেইক্ষেত্রে বিষ্ণুদেব করিলা রমণ।
তুলসী উদরে বীর্য হইল পতন।।
সেইক্ষণে মহাদেব দৈববাণী শোনে।
শঙ্খচূড়ে বধ তুমি করহ এক্ষণে।।“
[ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ, ১৩৬ পৃষ্ঠা ,সুবোধচন্দ্র মজুমদারের অনুবাদ]
ভগবান বিষ্ণু বৃন্দা নামক এক নারীকেও ধর্ষণ করেন। স্কন্দপুরাণে ঘটনাটির উল্লেখ আছে। অসুরদের রাজা জলন্ধর ক্রুদ্ধ হয়ে দেবরাজ ইন্দ্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধযাত্রা করেছিল। জলন্ধরের পরাক্রমে দেবতারা তার বশীভূত হয়েছিল।
এরপর একসময় শিবপত্নী পার্বতীর প্রতি মোহিত হয়ে শিবের কাছ থেকে পার্বতীকে নিয়ে আসার জন্য জলন্ধর দূত প্রেরণ করে। জলন্ধরের সেই ইচ্ছা পূরণ না হলে জলন্ধর বিশাল সৈন্য নিয়ে শিবের বিরুদ্ধে যুদ্ধযাত্রা করে। শিবের সাথে যুদ্ধচলাকালীন সময়ে এক মায়ার দ্বারা শিবকে জলন্ধর বশীভূত করলে, শিবের হাত হতে সকল অস্ত্র পতিত হয়। এই সময়ে জলন্ধর কামার্ত হয়ে, শিবের রূপ ধারণ করে শিবপত্নী গৌরি যেখানে উপস্থিত ছিলেন সেখানে উপস্থিত হন। দূর থেকে পার্বতীকে দেখে জলন্ধরের বীর্য পতিত হয়। পার্বতীও শিবরূপী জলন্ধরকে চিনতে পেরে, সেখান থেকে পালিয়ে যান। জলন্ধরও শিবের সাথে যুদ্ধ করার জন্য ফিরে আসেন। এরপর, পার্বতী বিষ্ণুকে স্মরণ করতে থাকেন। পার্বতীর আহ্বানে বিষ্ণু উপস্থিত হলে পার্বতী তাকে বলেন,
” হে বিষ্ণু! দৈত্য জলন্ধর আজ এক পরম অদ্ভুত কর্ম করিয়াছে; তুমি কি সেই দুর্মতি দৈত্যের ব্যবহার বিদিত নহ?” [3]
বিষ্ণু উত্তর দেন,
” হে দেবী! জলন্ধরই পথ দেখাইয়াছে, আমরাও সেই পথের অনুসরণ করিব, ইহা না করিলে জলন্ধরও বধ হইবে না এবং আপনারও পাতিব্রাত্য রক্ষিত হইবে না।” [4]
“জলন্ধর যখন শিবের সাথে যুদ্ধে রত, তখন “বিষ্ণু দানবরাজপত্নী বৃন্দার পাতিব্রাত্য ভঙ্গ করিবার অভিলাষে বুদ্ধি করিলেন এবং তখনই জলন্ধরের রূপ ধারণ করিয়া, যথায় বৃন্দা অবস্থিত ছিলেন, সেই পুরমধ্যে প্রবেশ করিলেন।” [5]
এইখানে বলে রাখা প্রয়োজন, বৃন্দা হল জলন্ধরের স্ত্রী।
সেইসময়ে জলন্ধরের স্ত্রী বৃন্দা এক দুঃস্বপ্ন দেখে তার স্বামীর জন্য চিন্তিত হয়ে পড়ে এবং এক ঋষির দেখা পায়। বৃন্দা সেই ঋষির কাছে জলন্ধরের অবস্থা জানতে চাইলে, মুনির আদেশে দুটি বানর জলন্ধরের মাথা ও ধর নিয়ে উপস্থিত হয়। তা দেখে বৃন্দা শোকগ্রস্ত হয়ে মূর্ছিত হয়ে ভূমিতে পতিত হয়। পরে জ্ঞান ফিরলে জলন্ধরের স্ত্রী সেই ঋষির কাছে তার স্বামীর প্রাণ ফিরিয়ে দেয়ার জন্য অনুরোধ করতে থাকে। তার অনুরোধে সেই ঋষি নিজে সেই স্থান হতে অদৃশ্য হয়ে যান এবং সাথে সাথেই বৃন্দা জীবিত জলন্ধরকে সেই স্থানে দেখতে পায়।
জলন্ধর জীবিত হয়ে, ” প্রীতিমান বৃন্দাকে আলিঙ্গন করিয়া তাহার গলদেশে চুম্বন করিল”। “অনন্তর বৃন্দাও স্বামীকে জীবিত দেখিতে পাইয়া সুখীমনে সেই কাননমধ্যে অবস্থিত হইয়া তাহার সহিত রতি করিতে লাগিল।” একদিন বৃন্দা জলন্ধররূপী বিষ্ণুকে চিনতে পারে। [6]
ক্রুদ্ধ হয়ে বৃন্দা বলে,
” হে হরে! তুমি পরদারগামিনী (অন্যের স্ত্রীকে সম্ভোগকারী), তোমার চরিত্রে ধিক!” [7]
বিষ্ণুকে তীরস্কার করে, অভিশাপ দিয়ে , আত্মহত্যা করার জন্য বৃন্দা আগুনে প্রবেশ করে। “বৃন্দাসক্তমনা (বৃন্দার প্রতি আসক্ত) বিষ্ণু তাঁহাকে বারণ করিলেও তিনি তাহা শুনিলেন না। অনন্তর হরি বারবার তাঁহাকে স্মরণ পূর্বক দগ্ধদেহ বৃন্দার ভস্ম-রজো দ্বারা শরীর আবৃত করিয়া সেই স্থানেই অবস্থিত হইলেন, সুর ও সিদ্ধগণ তাঁহাকে সান্ত্বনা দান করিলেও তিনি শান্তি লাভ করিলেন না।” [8]
রাক্ষস বিবাহ
হিন্দু শাস্ত্রে আটপ্রকারের বিবাহের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে যথাঃ ব্রাহ্ম,দৈব,আর্য,প্রাজাপত্য,আসুর,গান্ধর্ব,রাক্ষস ও পৈশাচ। (মনু ৩/২৩) এই বিবাহগুলির মধ্যে আমাদের আলোচ্য বিবাহ হল রাক্ষস বিবাহ। মনুসংহিতায় রাক্ষস বিবাহ সম্বন্ধে বলা হয়েছে,
“কন্যাপক্ষের লোকদের হত্যা করে,আহত করে কিংবা তাদের বাসস্থান আক্রমণ করে রোদনরত কন্যাকে বলপূর্বক হরণ করে যে বিবাহ তাকে রাক্ষস বিবাহ বলে। (মনু ৩/৩৩)
এই ধরণের অপহরণ করে বিবাহকে ধর্ষণ না বলে আর কি বলা যায়? কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল আগেকার হিন্দু সমাজে এই প্রকারের ধর্ষণ তুল্য বিবাহ বৈধতা পেয়েছিল। রাক্ষস বিবাহকে ক্ষত্রিয় জাতির জন্য বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছিল-
“… শেষ চারটি বিবাহ অর্থাৎ আসুর,গান্ধর্ব,রাক্ষস ও পৈশাচ ক্ষত্রিয়ের পক্ষে বৈধ”। (মনু ৩/২৩)
এমনকি রাক্ষস বিবাহকে ধর্মজনক হিসাবে গণ্য করা হয়েছে-
“… এই মানবশাস্ত্র মতে প্রাজাপত্য,আসুর,গান্ধর্ব,রাক্ষস ও পৈশাচ – এই পাঁচ প্রকারের বিবাহের মধ্যে প্রাজাপত্য,গান্ধর্ব ও রাক্ষস- এই তিনপ্রকার বিবাহ ধর্মজনক।“ (মনু ৩/২৫)
“ক্ষত্রিয়ের পক্ষে গান্ধর্ব ও রাক্ষস বিবাহ পৃথক পৃথকভাবে অথবা মিশ্রিতভাবে যেভাবেই সম্পাদিত হোক না কেন, দুই প্রকার বিবাহই ধর্মজনক…” (মনু ৩/২৬)
শাস্ত্রে রাক্ষস বিবাহের অনেক উদাহরণ পাওয়া যায়। ভীষ্ম তার ভাই বিচিত্রবীর্যের জন্য কাশিরাজের তিন কন্যা অম্বা,অম্বিকা ও অম্বালিকাকে অপহরণ করে এনেছিলেন। [9] দুর্যোধনের সাথে কলিঙ্গ রাজ চিত্রাঙ্গদের কন্যার বিবাহ দেওয়ার জন্য স্বয়ংবরসভা থেকে তাকে বলপূর্বক হরণ করে আনেন কর্ণ।[10]দেবকের রাজসভা থেকে দেবকীকে শিনি বলপূর্বক অধিকার করে এনেছিলেন বসুদেবের সাথে বিবাহ দেবার জন্য। [11] কৃষ্ণের মন্ত্রণায় অর্জুন কৃষ্ণের বোন সুভদ্রাকে হরণ করেছিলেন। সুভদ্রাকে দেখে অর্জুনের পছন্দ হলে কৃষ্ণ অর্জুনকে সুভদ্রা লাভের পরামর্শ দেওয়ার সময় বলেন, ” হে অর্জুন! স্বয়ংবরই ক্ষত্রিয়দিগের বিধেয়, কিন্তু স্ত্রীলোকের প্রবৃত্তির কথা কিছুই বলা যায় না, সুতরাং তদ্বিষয়ে আমার সন্দেহ জন্মিতেছে। আর ধর্ম শাস্ত্রকারেরা কহেন, বিবাহোদ্দেশ্যে বলপূর্বক হরণ করাও ক্ষত্রিয়দিগের প্রশংসনীয়। অতএব স্বয়ংবরকাল উপস্থিত হইলে তুমি আমার ভগিনীকে বলপূর্বক হরণ করিয়া লইয়া যাইবে। কারণ স্বয়ংবরে সে কাহার প্রতি অনুরক্ত হইবে, কে বলিতে পারে?” কৃষ্ণের পরামর্শ মত অর্জুন সুভদ্রাকে রৈবতক পর্বতে পূজা সেরে ফেরার সময় অপহরণ করেন। এ ঘটনায় সুভদ্রার পরিবার ও বংশের লোকেরা অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হয়ে উঠলে কৃষ্ণ তাদের শান্ত করেন। কৃষ্ণ বলেন, ” … স্বয়ংবরে কন্য লাভ করা অতীব দুরূহ ব্যাপার, এই জন্য (অর্জুন) তাহাতেও সম্মত হন নাই এবং পিতামাতার অনুমতি গ্রহণপূর্বক প্রদত্তা কন্যার পাণিগ্রহণ করা তেজস্বী ক্ষত্রিয়ের প্রশংসনীয় নহে।অতএব আমার নিশ্চয় বোধ হইতেছে, কুন্তিপুত্র ধনঞ্জয় উক্ত দোষ সমস্ত পর্যালোচনা করিয়া বলপূর্বক সুভদ্রাকে হরণ করিয়াছেন…” [12]
উপনিষদের অমানবিকতা
সঙ্গমে আগ্রহহীনা নারীকে লাঠি দিয়ে প্রহার করে সঙ্গমের জন্য রাজি করানোর কথা বলা হয়েছে উপনিষদে। বৃহদারণ্যক উপনিষদে বলা হচ্ছে-
“সা চেদস্মৈ ন দদ্যাৎ কামমনোমবক্রীণীয়াৎ সা চৈদস্মৈ নৈব দদ্যাৎ
কামমেনাং যষ্ট্যা পাণিনা বোপহত্যাতিক্রামেদিন্দ্রিয়েণ তে যশসা যশ
আদদ ইত্যযশা এব ভবতি।। (বৃহদারণ্যক উপনিষদ ৬/৪/৭)
সরলার্থঃ যদি সেই স্ত্রী এই পুরুষকে কামনা না যোগায় তবে সে সেই স্ত্রীলোককে উপহারাদি দ্বারা বশীভূত করিবে। তাহাতেও যদি সে পুরুষের কামনা চরিতার্থ না করে তবে সেই স্ত্রীকে সে হাত বা লাঠি দ্বারা আঘাত করিয়া বলিবে-‘আমি ইন্দ্রিয়রূপ যশদ্বারা তোমার যশ গ্রহণ করিতেছি।‘ এই বলিয়া তাহাকে বশীভূত করিবে।ইহাতে সেই স্ত্রী যশোহীনা হইবে।” [হরফ প্রকাশনী]
নারীর সাথে এমন ব্যবহারকারী পুরুষ আজকের যুগে ঋষি হিসাবে পূজিত হত না বরং কারাগারে তার ঠাই হত।
তথ্যসূত্র ও টীকা-
[1] It so happened, however, that the handsome Varuna had, from a long time before, coveted the girl. Coming to the woods where Utathya dwelti Varuna stole away the girl when she had plunged into the Yamuna for a bath. Abducting her thus, the Lord of the waters took her to his own abode. That mansion was of wonderful aspect. It was adorned with six hundred thousand lakes. There is no mansion that can be regarded more beautiful than that palace of Varuna. It was adorned with many palaces and by the presence of diverse tribes of Apsaras and of diverse excellent articles of enjoyment. There, within that palace, the Lord of waters,
O king, sported with the damsel. A little while after, the fact of the ravishment of his wife was reported to Utathya. [ Mahabrahata/Anushasana Parva/ 154, Translated by Pratap Chandra Roy]
[2] ”…Surya Deva said :– “O Kunti! What for you called me, by virtue of the Mantra? Calling me, why do you not worship me, standing before you? O beautiful blue one! Seeing you, I have become passionate; so come to me. By means of the mantra, you have made me your subservient so take me for intercourse.” Hearing this, Kunti said:– “O Witness of all! O knower of Dharma! You know that I am a virgin girl. O Suvrata! I bow down to you; I am a family daughter; so do not speak ill to me.” Surya then said :– “If I go away in vain, I will be an object of great shame, and, no doubt, will be laughed amongst the gods; So, O Kunti! If you do not satisfy me, I will immediately curse you and the Brahmin who has given you this mantra. O Beautiful one! If you satisfy me, your virginity will remain; no body will come to know and there will be born a son to you, exactly like me.” Thus saying Surya Deva enjoyed the bashful Kunti, with her mind attracted towards him; He granted her the desired boons and went away. The beautiful Kunti became pregnant and began to remain in a house, under great secrecy. Only the dear nurse knew that; her mother or any other person was quite unaware of the fact. In time, a very beautiful son like the second Sun and Kartikeya, decked with a lovely Kavacha coat of mail and two ear-rings, was born there.” [ Devi Bhagavatam 2.6.13-35 Translated by- Swami Vijnananda]
[3] স্কন্দ পুরাণ/বিষ্ণুখণ্ড/ কার্ত্তিক মাসের মাহাত্ম্য কথন/ ২০/২২-৩১
[4] স্কন্দ পুরাণ/বিষ্ণুখণ্ড/ কার্ত্তিক মাসের মাহাত্ম্য কথন/ ২০/২২-৩১
[5] স্কন্দ পুরাণ/বিষ্ণুখণ্ড/ কার্ত্তিক মাসের মাহাত্ম্য কথন/ ২১/১-৫
[6] স্কন্দ পুরাণ/বিষ্ণুখণ্ড/ কার্ত্তিক মাসের মাহাত্ম্য কথন/ ২১/১৯-৩১
[7] স্কন্দ পুরাণ/বিষ্ণুখণ্ড/ কার্ত্তিক মাসের মাহাত্ম্য কথন/ ২১/১৯-৩১
[8] স্কন্দ পুরাণ/বিষ্ণুখণ্ড/ কার্ত্তিক মাসের মাহাত্ম্য কথন/ ২১/১৯-৩১
[9] মহাভারত/আদি পর্ব/ দ্বধিকশততম (১০২) অধ্যায়
[10] ভারতে বিবাহের ইতিহাস, লেখক- অতুল সুর
[11] ভারতে বিবাহের ইতিহাস, লেখক- অতুল সুর
[12] কালিপ্রসন্নসিংহের মহাভারত/ আদিপর্ব/ ১২০-১২১ অধ্যায়।

 












 


পৃথিবীর অন্য অংশের সঙ্গে বিস্তৃত ভারতবর্ষ জুড়েও আধিপত্য কায়েম করেছিল আর্য জাতি | কিন্তু পুরুষতান্ত্রিক অথবা পুরুষপ্রধান এই জাতির মধ্যে প্রচলিত ছিল বহু বর্বরতা | যার মধ্যে অন্যতম হল INCEST বা অজাচার | অর্থাৎ খুব ঘনিষ্ঠ পরিজনের সঙ্গে যৌন সঙ্গম |


ঐতিহাসিক বা সমাজতাত্ত্বিকরা মনে করেন আর্য সমাজে ইনসেস্টের উদাহরণ বহু ছিল | এবং বৈদিক যুগে অজাচার অপরাধ ছিল না | উঠত না কোনও নৈতিকতার প্রশ্নও | আর্যদের জীবনে এগুলো সহজলভ্য ছিল বলে আর্য দেবতাদের জীবনেও এর উল্লেখ দেখা যায় |

যেমন ধরা যাক ব্রহ্মার কথা | তিনি সৃষ্টিকর্তা | কিন্তু প্রজাপতি ব্রহ্মাও অজাচারে কম যান না | সরস্বতী পুরাণ বলে, ঊর্বশীকে দেখে স্বমেহন (কবিরাজি বাংলায় হস্তমৈথুন) করতেন ব্রহ্মা | তাঁর শুক্রাণু জমা হত একটি পাত্রে |

সেই পাত্রে জন্ম হয় ঋষি অগস্ত্য এবং অগস্ত্য জন্ম দেন সরস্বতীর | এই সূত্র অনুযায়ী সরস্বতী ব্রহ্মার নাতনি | আবার অন্য সূত্র বলে, ব্রহ্মার শুক্রাণু থেকে সরাসরি জন্ম হয় সরস্বতীর |

কিন্তু আত্মজার রূপ দেখে মুগ্ধ হন প্রজাপতি | তিনি তাঁর সঙ্গে যৌন সঙ্গম করতে চান | জন্মদাতার কামনা থেকে বাঁচতে পালিয়ে যান সরস্বতী | কিন্তু শেষ অবধি হার মানতে হয় ব্রহ্মার কামনার কাছে |

ব্রহ্মা এবং সরস্বতী স্বামী-স্ত্রীর মতো থাকেন পদ্ম ফুলে | প্রায় ১০০ বছর ধরে | তাঁদের পুত্রের নাম স্বয়ম্ভুমারু এবং কন্যা শতরূপা | কিন্তু এরপরেও ব্রহ্মার বিকৃত যৌন কামনা কমেনি | এতে বিদ্যা এবং জ্ঞানের দেবী সরস্বতী অভিশাপ দেন ব্রহ্মাকে | বলেন, দেবতাদের মূলস্রোতে থাকবেন না প্রজাপতি ব্রহ্মা | অর্থাৎ তিনি পূজিত হবেন না | সত্যি হিন্দু দেবতাদের মূলধারার মধ্যে পড়েন না ব্রহ্মা | তাঁর রাজস্থানের পুষ্কর ছাড়া তাঁর মন্দির এবং অর্চনা বিরল | কুপিত হয়ে সরস্বতী তাঁকে ছেড়ে চলে যান | দেবী থেকে রূপান্তরিত হন নদীতে | সেখান থেকেই বৈদিক যুগের 'সরস্বতী নদী' | কৃষিপ্রধান সভ্যতার মূলে থাকা উর্বরতার উৎস এই নদীর উৎসমুখ ও প্রবাহ নিয়ে এখনও চলে গবেষণা |

ব্রহ্মার অজাচারের প্রমাণ ঐতেরেয় ব্রাহ্মণ, শতপথ ব্রাহ্মণ, মৎস্য পুরাণ এবং ভাগবৎ পুরাণেও আছে | সমাজতাত্ত্বিকরা মনে করেন, ঘনিষ্ঠজনের সঙ্গে যৌনাচার বৈদিক যুগে বহুল প্রচলিত ছিল | তাই বাবা-মেয়ে এবং ভাই-বোন যৌনতাকে তখন বংশবৃদ্ধি বা সন্তান উৎপাদনের কারণ দেখিয়ে 'অপরাধ' তকমার বাইরে রাখা হত | রামভক্তরা কানে আঙুল দিলেও কোনও কোনও সূত্র বলে, রাম-সীতাও নাকি আসলে ভাই-বোন ছিলেন |

ঐতিহাসিকরা মনে করেন, বৈদিক যুগের এই অন্ধকার রীতি-নীতি সমাজে প্রচলিত ছিল খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ থেকে ১০০০ খ্রিস্টাব্দ অবধি | সেইজন্যেই তো একমাত্র ব্রহ্মা জানেন গোপন কম্মো কী...

এই লিঙ্গে গুরুত্বপূর্ন ও পবিত্র কথাগুলান পাইছি।

 








 

হিন্দু ধর্মের দেব-দেবীদের নিকৃষ্ঠ ও বিকৃত যৌনতা এবং হিন্দুদের ধর্ষন প্রিয়তার কাহীনি প্রমান সহ।

হিন্দু ধর্ম এবং এই ধর্মের অনুসারীরা ধর্মের বৈশিষ্ট্য অনুসারেই চরম নোংরা, অশ্লীল, লম্পট, ধর্ষনপ্রিয় হয়ে থাকে। দুই উরুর সন্ধিস্থলে এদের সকল
আরাধনা বা পুজা নিহিত। হিন্দুদের তথাকথিত দেব দেবীরাই এ অশ্লীলতা বা লম্পট্যের পথ
প্রদর্শক।

মূল আলোচনার শুরুতেই হিন্দুদের দেবতাদের সম্পর্কে একটু ধারনা থাকা দরকার। এবার আসুন
হিন্দুদের প্রধান দেবতা শিব সম্পর্কে কিঞ্চিৎ তথ্য উপস্থাপন করি।
" চিরাচরিত নিয়ম অনুযাই একদিন শিব তার পত্নী পার্বতীর সাথে সঙ্গমে লিপ্ত হয়। পার্বতী হলো দূর্গার অপর নাম। যখন শিবের প্রমত্ত যৌন উত্তেজনার ফলে পার্বতী মরনাপন্ন হয়ে পড়ে, তখন পার্বতী প্রান রক্ষার জন্য কৃষ্ণের উদ্দেশ্যে প্রার্থণা করতে থাকে। এ অবস্থায় কৃষ্ণ তার সুদর্শন চক্রের দ্বারা উভয় লিঙ্গ কেটে দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন করে পার্বতীর প্রান রক্ষা করে। আর এই স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য প্রবর্তন হয় এই যুক্তলিঙ্গ পূজা । (ভগবত, নবম স্কন্ধঃ৫৯৮)

এর পর পার্বতী নিজ যৌন চাহিদা মিটাতো তার পেছনের রাস্তা অর্থাত্ …. দিয়ে। আর মহাদেব যেহেতু লিঙ্গ কাটার পর পার্বতীর যৌন চাহিদা পুরা করতে পারত না। তাই পার্বতী অন্যান্য ভগবানদের সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হত। একদিনের ঘটনা। পার্বতী ভগবান বিষ্ণুর সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হয়েছে। ঠিক এমন সময় সেখানে গনেশ এসে হাজির। গনেশ ছিল পার্বতীর আপন ছেলে। তখন পার্বতী গনেশের থেকে নিজেকে লুকানোর জন্য নিজ চেহারা তুলশীর চেহারায় পরিবর্তন করে ফেলে। তুলশীর সাথে গনেশের পূর্ব থেকে যৌন সম্পর্ক ছিল। তখন গনেশ নিজ মা পার্বতীকে তুলশী ভেবে তার সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হয়।

পরবর্তীতে এই ঘটনা শিব জানতে পেরে অভিশাপ দিয়ে নিজ ছেলে গনেশের মাথা হাতির মাথায় পরিবর্তন করে দেয় ।
(স্কন্ধ পুরাণ, নাগর খন্ডম ৪৪৪১, পৃঃ১-১৬) এই হলো শিব এবং শিবলিঙ্গের ইতিহাস।

আর রামের কৃষ্ণের কথা সবাই কমবেশি জানে। কৃষ্ণ তার আপন মামী রাধাকে গভীর রাতে একা পেয়ে ধর্ষন করে, অতপর রাধাও ধর্ষন উপভোগ করে।
পরিশেষে উভয়ে বিয়ে করে। উইকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী কৃষ্ণ ১৬১০০ গোপীনি বা রক্ষীতা পালন করতো। অর্থাৎ সারাটি জীবন হিন্দুদের এই প্রিয় দেবতা যৌনলীলা বা কৃষ্ণলীলা করে কাটিয়ে দিয়েছে। এরকম প্রায় প্রতিটি তথাকথিত দেব দেবীর
জীবনে রয়েছে অজস্র লাম্পট্য এবং অশ্লীলতায় পরিপূর্ণ। যেই লাম্পট্যের ছাপ তাদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মন্দির গুলোতেও আজও বিদ্যমান।

ভারতে যৌনতার ইতিহাস নতুন নয়, মালাউনরা শতশত বছর ধরে মন্দিরের ভিতর থেকেই যৌনলীলা চালিয়ে আসছে -
http://goo.gl/7hWeR2 )
হিন্দুদের অশ্লীল "খাজুরাহো মন্দির"
চিত্র -
http://goo.gl/JKdR14 )
ভারতে হিন্দু মন্দিরে বিভিন্ন মূর্তির যৌন মিলনের প্রকাশ্য অশ্লীল দৃশ্য-
http://goo.gl/w9KdM9 )
হিন্দু ধর্মের অশ্লীলতার ধারাবাহিকতা অনুযায়ী এখনো পর্যন্ত মন্দিরের পুরোহিত, ধর্মগুরু,যোগীরা সেই ঐতিহ্য বজায় রেখে আসছে। ভারতে হিন্দুদের ধর্মগুরু আশারাম বাপুর ভয়বহ যৌন জীবন প্রকাশ। মহিলা দর্শনার্থীদের বিভিন্ন কৌশলে সে শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করতো। কেউ গর্ভবতী হলে তার গর্ভপাতের ব্যবস্থা করে দিত। তার চেহারা সমাজে প্রকাশ হয়ে গেলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে-
http://goo.gl/OnWvHR )
http://goo.gl/xZS3Ie )
http://goo.gl/2eOFu4 )
ভূত তাড়ানোর নামে মহিলার সাথে যৌনসঙ্গম করলো পুরোহিত-
http://goo.gl/LfnpQN )
ভারতে দুই কিশোরীকে ধর্ষনের দায়ে পুরোহিত গ্রেফতার -
http://goo.gl/MAKHb9 )

স্থানীয় সিঙ্গারচোলি নামক একটি মন্দিরে
প্রতিদিন নিয়মিত যেতেন ওই গৃহবধূ। মাসখানেক আগে মন্দিরের পুরোহিত সন্তোষ কুমার কৌশিক ওই গৃহবধূকে বলে সে অশুভ আত্মার খপ্পরে পড়েছে। এ কারণে বিশেষ পূজা আয়োজনের পরামর্শও দেয় ওই পুরোহিত। এ সময় সে নিজেই এই পূজা সম্পন্ন করবে বলেও জানায়। ভূত তাড়ানোর নামে সেই গৃহবধূকে ধর্ষণ করেছে এক মন্দির পুরোহিত-
http://goo.gl/QvgQso )
একাধিক ভণ্ড ধর্মীয় গুরু বা সাধুর বিরুদ্ধেও ধর্ষণের অভিযোগের খবর বেরিয়েছে। মামলাও হয়েছে এসব ঘটনায়।
এবার সেরকমই এক ভণ্ড সাধুর খপ্পরে পড়ে সতীত্ব হারালেন চল্লিশ বছরের এক মার্কিন নারী-
http://goo.gl/0tKjAv )
হিন্দু ধর্মের একটা প্রাচীন বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সেবাদাসী প্রথা। অর্থাৎ কিছু হিন্দু মহিলারা মন্দিরে থাকে এবং পুরোহিতদের যৌন চাহিদা পুরন করে থাকে। ইউটিউবে এমন অনেক ডকুমেন্টেরি পাবেন সেবাদাসী বা দেবদাসীর উপর। সেই ভারতে এখনও নির্মম সেবাদাসী (পুরোহিতের যৌনদাসী) প্রথা বিদ্যমান। কিছুদিন আগে খবর বেরিয়েছে, শুধু দুই রাজ্যতে
(অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলেঙ্গানা) সেবাদাসীর সংখ্যা ৮০ হাজার -
http://goo.gl/EoazDa )
হিন্দু সাধুদের বদচরিত্রের আরো একটি নমুনা হচ্ছে "কুম্ভ মেলা"। এই মেলায় লক্ষ লক্ষ হিন্দু পুরুষ মহিলা উলঙ্গ হয়ে উৎযাপন করে। হিন্দু নাংগা সাধুদের উলঙ্গ পুজা বা কুম্ভ মেলা।
( না দেখাই ভালো ) -
http://goo.gl/1dfrDY )
ভারতের উত্তরাঞ্চলের
এলাহাবাদে কুম্ভ মেলায় যোগ দেয়ার জন্য প্রায় তিন কোটি উলঙ্গ
হিন্দু ধর্মাবলম্বী
সন্ন্যাসী, ও তীর্থযাত্রী
একত্রিত হয়েছে-
http://goo.gl/CSvWPI )
কতটুকু বিকৃত মন মানসিকতা থাকলে ইনসেস্ট বা অযাচারের মত পৈশাচিক যৌন সম্পর্ক করা সম্ভব সেটা হিন্দুদের না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। যেহেতু এই ভয়নক অশ্লীল কর্ম তাদের দেবতাদের মধ্যে বিরাজমান ছিলো সূতরাং নোংরা ধর্মীয় উত্তরাধিকারী সূত্রে হিন্দুরাও এর চর্চা করে। ইনসেস্ট বা অযাচারের দেশ ভারত। নিজের পরিবারের লোকদের (বাবা,মা, ভাই, বোন, চাচা, চাচী,
মামা,মামী) দ্বারাই ৭৬% মানুষ শারীরিক সম্পর্ক করে থাকে। বিবিসির ডকুমেন্টারি -
http://goo.gl/RPHlGZ ) (#collectedl/13cBej)
আর অভ্যাস যে তাদের কতটুক মজ্জাগত তার প্রমান হচ্ছে হিন্দুদের অন্যতম নেতা পাপাত্মা গান্ধীর ছেলে। নিজের মেয়েকেই ধর্ষণ করেছিলেন পাপাত্মা গান্ধীর ছেলে-
http://goo.gl/Akpli1 )

গন্ধীর লম্পট্যপরবর্তীতে সেই নাতীকে গান্ধী নিজের কাছে এনে রাখে এবং বাকি জীবন আপন নাতিকেই রক্ষীতা বানিয়ে নিজের সাথেই রাখে। এরকম অযাচারের ঘটনা হিন্দুদের মধ্যে অসংখ্য হচ্ছে সেটা পূর্বেই বলা হয়েছে। তারপরও দুই একটি নমুনা হিসেবে দেয়া যেতে পারে -
এবার হায়দ্রাবাদের কাঞ্চনবাগ এলাকায় ১৪ বছরের
এক কিশোরীকে ধর্ষণ করেছে তার চাচা-
http://goo.gl/xnUzK2 )
সৎ বাবার হাতে দিনের পর দিন ধর্ষিণের শিকার হয়েছে এক কিশোরী। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের তেলেঙ্গানার
রঙ্গারেড্ডি জেলার মেডচাল এলাকায়। এই ঘটনায় উত্তাল
রাজ্য। গত এক বছর ধরে ১৪ বছরের ওই স্কুলছাত্রীটিকে
দিনের পর দিন ধর্ষণ করেছে তারই সৎ বাবা। এমনকী
ক্রমশ এই ঘটনা চলতে চলতে মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে পড়ে-
http://goo.gl/CwWUo0 )

পৃথিবীতে একজন সন্তানের সবচেয়ে বড় আশ্রয় কি? এই
প্রশ্ন করা হলে উত্তর খোঁজার জন্য খুব বেশি সময় নিতে হয় না কাউকে। এক মুহূর্তের ব্যবধানেই উত্তর আসবে পিতা-মাতা। সভ্যতার ঊষালগ্ন থেকেই এই বিশ্বাস প্রবহমান। কিন্তু সেই আশ্রয় যখন কদর্য মনোবৃত্তির তাড়নায় ভেঙ্গে পড়ে তখন বিস্ময়, অবিশ্বাস, হতাশা আর ঘৃণা ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। যে পিতা সন্তানের প্রথম ও শেষ আশ্রয়, যে পিতা সন্তানকে আগলে রাখেন সব অশুভ থেকে, সেই পিতা নামধারী এক পাষণ্ডই হিন্দু মালাউন ধর্ষণ করেছে তার কিশোরী কন্যাকে, অতঃপর হত্যাও-
http://goo.gl/57A20D )
ভারতের হরিয়ানা রাজ্যে এবার এক গৃহবধূকে ধর্ষণ করলো নিজের শ্বশুর ও ভাসুর -
http://goo.gl/Xa7a8t )
ভারতে ১২ বছরের নাবালিকা কন্যাকে ধর্ষণ করতো মালাউন বাবা। নির্যাতিতা নাবালিকা চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী।
নির্যাতিতা নাবালিকা মেয়েটি জানিয়েছে, তার যখন ছয় বছর বয়স ছিল তখন থেকেই তাকে তার বাবা ধর্ষণ করত। ধর্ষণের আগে তার বাবা তার মাকে অজ্ঞান করার
ওষুধ খাইয়ে দিত যাতে ঘটনার কথা তার মা জানতে না পারে। মা অজ্ঞান হয়ে গেলেই মেয়ের উপর পৈশাচিক
অত্যাচার শুরু করত বাবা-
http://goo.gl/KcFWfj )
কত নিকৃষ্ট হলে এমন কাজ করা সম্ভব ? যেহেতু তারা হিন্দু মালাউন তাই তাদের পক্ষে এসব সম্ভব। দেখুন মালাউনদের বিকৃত রুচি, মেয়ে-জামাইয়ের সন্তান গর্ভে ধারণ করলো মা-
http://goo.gl/pHWRXO )
ভারতে নিজের কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে
এক বাবাকে আটক করেছে পুলিশ। হরিয়ানা রাজ্যের
সোনেপাত গ্রামের ওই কিশোরী পুলিশকে জানায়, তার
বাবা তাকে উপর্যুপরি ধর্ষণ করেছে-
http://goo.gl/hRXK64 )
ধর্ষণের রাষ্ট্র ভারতে ঘটেছে আরো একটি ন্যাক্কার জনক ঘটনা। ভারতের মেয়েরা নিজের বাবার কাছেওসুরক্ষিত না তা প্রমান করে দিল এই নরপিচাশ। বাবার হাতেই ধর্ষিত হলোনাবালিকা -
http://goo.gl/FFRMnl )
ভারতের শিলিগুড়িতে মায়ের পরে ১১ বছরের বোনকে ধর্ষন ও খুন করল ভাই-
http://goo.gl/1b19cw )

হিন্দু উৎপাদন কেন্দ্র ভারত হচ্ছে সারাবিশ্বে ধর্ষনের রাজধানী। কতটা ভয়াবহ অবস্থা এখানে নিজের চোখেই দেখুন। ২০১০ সালের হিসাব অনুযায়ী প্রতি ঘন্টায় ভারতের দুজন মহিলা ধর্ষন হয়ে চলেছে ক্রমাগত। গত বছরে ২০,৭৩৭ জন মহিলা ধর্ষন হয়েছে এদেশে। যা বিগত বছর গুলির তুলনায় ৭.২ শতাংশ বেশী। আর ভারত বর্ষের মধ্যে ধর্ষনের মাত্রা সবথেকে বেশী মধ্যপ্রদেশ রাজ্যে। মধ্যপ্রদেশ বছরে ধর্ষনের পরিমান ৩০১০ টি যা দেশের মোট ধর্ষনের ১৪.৫ শতাংশ। এর পরেই পশ্চিমবঙ্গ এখানে বিগত বছরে ধষর্নের মোট ঘটনা ঘটেছে ২.১০৬ টি। যার মধ্যে গন ধর্ষনের ঘটনা ঘটেছে ৯৩ টি। এর পরেই স্থান পেয়েছে উত্তর প্রদেশ (১,৬৪৮) ,বিহারে (১,৪৫৫) এবং
রাজস্থান (১.২৩৮) ধর্ষনের ক্ষেত্রে ৯২.৫ শতাংশ ঘটনার
ক্ষেত্রে দেখা গেছে ধর্ষক ধর্ষিতার পরিচিত কেউ। ৬৯০২ টি ধর্ষনের ক্ষেত্রে দেখা গেছে ধর্ষক ধষির্তার প্রতিবেশি।
পরিবারের বাবা অথবা ভাই-দাদার কাছে ধর্ষন হয়েছে
এমন ঘটনা ৪০৫ টি। আত্মীয়ের দ্বারা ধর্ষনহয়েছে এমন ঘটনা ১৪৪৮ টি। ৯০ শতাংশ ধর্ষনের ঘটনায় ধষর্ক ও ধষির্তার সুসম্পর্ক ছিলো। তারা একে অপরের সাথে কথাবার্তা বলতো। ১৮-৩০ বছরের মহিলার বেশি ধর্ষিত হয়েছে। ধর্ষক এর বয়স বেশি ভাগ ক্ষেত্রে ৩০-৫০ বছর। দেশে ধর্ষন হওয়া মেয়েদের মধ্যে ৬১৭ জন ১০ বছরের
নিচে। ৪,৫০৭ জন ১০-১৮ বছরের। নারীদের উপর
অত্যাচারে সবর্চ্চ স্থান অন্ধ্রপ্রদেশের। দেশের মোট অভিযোগ দায়ের করা ঘটনার ১৩.৩ শতাংশ অন্ধ্রপ্রদেশে।
ধর্ষনের ও অন্যান্য নারী অত্যাচারে পশ্চিমবঙ্গ ক্রমবর্ধমান। এখানে মোট নারী নির্যাতনের ঘটনা ২২৬৭৪ টি। যা বিগত বছরে ছিলো ১৭৫৪৬ টি। ২০০৮ সালে এরাজ্যে গনধর্ষন হয়েছে ৯৩টি। ধর্ষন হয়েছে ২০৯৫ টি। যৌন বৃত্তি করানোর জন্য নারী অপহরন হয়েছে ১৩৭ টি। মোট নারী অপহরনের সংখ্যা ১৮২৯ টি। ইভটিজিং এর
অভিযোগ দায়ের করা সংখ্যা ১০২ টি। পনের জন্য পুড়িয়ে মারা হয়েছে ২৪ জনকে। অন্য উপায়ে পনের জন্য খুন হয়েছে ৫৪ জন। পনের পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করা হয়েছে
৩৭ জনকে। অন্যউপায়ে পনের জন্য খুন করার চেষ্টা করা
হয়েছে ৩৩০ জন মহিলাকে।পনের জন্য আগুনে পুড়ে
আত্মহত্যা করেছেন ১২৭ জন। অন্যউপায়ে পণ প্রথার কারনে আত্মহত্যা করেছে ৩২৫ জন। শ্বশুর বাড়ীর অত্যাচারের স্বীকার ১৩৯৪৭ জন মহিলা। ১৮ বছরের
নিচে নারী পাচারের ঘটনা ধরা পরেছে ৪ টি। এই যাবতীয় তথ্যশুধু সেই সব নারীদের যারা প্রকাশ্যে এনেছেতাদের উপর অত্যাচারের কথা।পর্দার অন্তরালে এসংখ্যা শতগুন
বেশি। আরো একটিসমীক্ষায় জানা যায় ,দুই তিন বছর
আগেই ভারতে প্রতিআধঘন্টায় একজন করে মহিলা ধর্ষনের শিকার হচ্ছেন বলে এক সমীক্ষায় জানা গেছে।
কমনওয়েলথ হিউম্যান রাইটস ইনিসিয়েটিভের একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে এই তথ্য।

২০০১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ভারতের ২৮টি রাজ্য ও
৭টি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে মোট ২ লক্ষ ৭২ হাজার ৮৪৪টি অপরাধের ঘটনা লিপিবদ্ধ হয়েছে তার মধ্যে ২ লক্ষ ৬৪ হাজার ১৩০টিই ধর্ষনের ঘটনা বলে লিপিবদ্ধ হয়েছে। অর্থাৎ গড়ে প্রতিদিন ৫৬টি ধর্ষনের ঘটেছে। কেন্দ্রশাসিত
অঞ্চলগুলির মধ্যে দিল্লিতেই গত ১৩ বছরে ৮০৬০টি
ধর্ষনের ঘটনা ঘটেছে। সমীক্ষ্ থেকে আরও ভয়ঙ্কর যে তথ্যটি উঠে এসেছে তা হল গত ১৩ বছরে ধর্ষনের হার
বেড়েছে প্রায় ৫২ শতাংশ। ২০০১ সালে যেখানে গোটা
ভারতে ধর্ষনের সংখ্যা ছিল ১৬০৭৫টি সেখানে ২০১৩
তালে তা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৩৩৭০৭টি। আর দিল্লিতে এই বৃদ্ধির পরিমাণ ৩২৫ শতাংশ। ধর্ষণের পরিসংখ্যানে
মধ্যপ্রদেশের পরেই রয়েছে রাজস্হান (৩২৮প্ত), মহারাষ্ট্র
(৩০৬৩ ), উত্তরপ্রদেশ (৩০৫০) ও তামিলনাড়ু (৯২৩)৷
এনসিআরবি- এর তথ্য অনুযায়ী, অধিকাংশ ধর্ষণে পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন জড়িত। ভারতে প্রতি আধ ঘন্টায় একজন মহিলা ধর্ষিতা হয়-
http://goo.gl/oLnawk )
প্রতিদিন ২৪টি শিশু ধর্ষিত হচ্ছে ভারতে-
http://goo.gl/F2Gu8z )
দিনে গড়ে ৯৩ জন মহিলা ধর্ষিত হয় ভারতে, প্রতিবেদন দেখুন-
http://goo.gl/1ZUmRg )
পরিসংখ্যান ক্রমে বেড়েই চলেছে। পরবর্তী হিসাবে ভারতে প্রতিদিন ধর্ষিত হচ্ছে ৯২ নারী-
http://goo.gl/XIJn3A )
শীর্ষ দশটি ধর্ষনকারী দেশের মধ্যে ভারতের স্থান চতুর্থ-
http://goo.gl/5Gbzs4 )

ভারতে প্রতি বছর ৩০ লক্ষ শিশুকে যৌন ব্যবসায়
নামতে বাধ্য করা হচ্ছে-
http://goo.gl/iJx44n )
উইকিপিডিয়াতে ইন্ডিয়ার ধর্ষনের পরিসংখ্যান, শুধু
২০১৩ সালেই ভারতে ২৪৯২৩ টা ধর্ষন হয়েছে-
http://goo.gl/ziIRa4 )
এই মালাউন হিন্দু দেশ ইন্ডিয়া এতই নোংরা যে, এখানে অর্থনীতির এক বিরাট অংশ আসে পতিতাবৃত্তি বা দেহব্যাবসা করে - হিন্দুরা ইন্ডিয়াতে তাদের শিশুদের দিয়ে দেহব্যবসা করে দেশের অর্থনৈতির চাকা ঘুরায় আর পেট চালায়। দেখুন ভারতে শিশু যৌন ব্যাবসা এখন ৩৪ কোটি ডলারের ইন্ডাস্ট্রি -
http://goo.gl/OBbx2n )
ভারতে প্রতি বছর ৩০ লক্ষ শিশুকে যৌন ব্যবসায় নামতে বাধ্য করা হচ্ছে-
http://goo.gl/iJx44n )
ভারতের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ধর্ষন এবং ধর্ষন প্রসঙ্গে তাদের কিছু আলোচিত বক্তব্য- সম্প্রতি ভারতের
উত্তর প্রদেশে এক সাথে দুই বোনধর্ষিত হওয়ার ঘটনায় এক উদ্ভট মন্তব্য "‘কখনও কখনও ধর্ষণ ভালো’! বলে
আলোচনায় এসেছে ইন্ডিয়ার ক্ষমতাসীন দল বিজেপি( ভারতীয় জনতা পার্টি) জোটের এক প্রতিমন্ত্রী, -
http://goo.gl/esr9Lz )
ভারতে ধর্ষণ নিয়ে ভারতের রাজনীতিকদের স্বভাব সুলভ মন্তব্য-
http://goo.gl/0hjjrx )
পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসের এমপি ও অভিনেতা তাপস পাল হুমকি দিলো লোক দিয়ে ধর্ষণ
করিয়ে দেবো:
http://goo.gl/fraq8M )
নির্বাচনের পর ধর্ষন করতে বললো ভারতে মহারাষ্ট্রের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী -
http://goo.gl/8n84vS )
সিআরপিএফ জওয়ান কতৃক প্রতিবন্ধী নারী ধর্ষণ, ধর্ষণ
থেকে বাঁচতে তরুণীর চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ, কংগ্রেস
নেতা ধর্ষণ করতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার-
http://goo.gl/fWC6Yo )
ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী দল শিবসেনার এক সাবেক জেলা সহ- সভাপতিকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক করা হয়েছে। এর পর তার বাসা থেকে পর্নো সিডি ও ১৫ প্যাকেট ভায়াগ্রা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে পুলিশ-
http://goo.gl/R9Mmf6 )

এবার আসুন ভারতে হিন্দুদের কিছু ধর্ষনের খবর জেনে নেয়া যাক। একটা কথা মনে রাখবেন, আমি যত সংবাদই দেই না কেন মূলত বাস্তবতার তুলনায় লেগুলো খুবই ক্ষ্মীন। যে দেশে সরকারি হিসাবে প্রতিদিন ৯৩ টা ধর্ষন হয়
সেখানে আমার এই পোস্টে উল্লেখিত ৭০/৮০ টা সংবাদের লিংক খুবই হাস্যকর। গুগলে সার্চ করলে হাজার হাজার
নিউজ পাওয়া যায়॥ আমি শুধু আপনাদের নিকৃষ্ট হিন্দুদের চরিত্রটাই দেখাতে চাচ্ছি। তাহলে চলুন আরো
কিছু ঘটনা জানা যাক - ভারতে যৌন নির্যাতনে প্রাণ হারালেন ৮৪ বছরের বৃদ্ধা-
http://goo.gl/zGog3k )
দেখুন ভারতে হিন্দুরা কিভাবে প্রকাশ্যে রাস্তায় মহিলাদের গনধর্ষন করে থাকে (ভিডিও) -
http://goo.gl/1lNFo0 )
এক মালাউন হিন্দু , ছয় বছরের একটি শিশুর গোপনাঙ্গে লোহার রড ঢুকিয়ে বিকৃতকামনা পৈশাচিক রুচি মেটাল -
http://goo.gl/7neAni )
পর পর তিনবার পুত্র সন্তানের জন্ম দেয়ায় কোলকাতার
এক গৃহবধুকে শ্বশুরবাড়ীর লোকজন জোর করে রেখে এসেছিল সোনাগাছির যৌনপল্লীতে -
http://goo.gl/1L4wwx )
গরু ধর্ষন করে ধরা খেলো এক মালাউন হিন্দু -
http://goo.gl/z69IsU )
ভারতে এবার পোল্যান্ডের এক নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। মেয়েকে নিয়ে মথুরা শহর থেকে রাজধানী দিল্লিগামী একটি ট্যাক্সিতে ওঠার পর ধর্ষণের শিকার
হয় সে-
http://goo.gl/qe1rtw )
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে চলন্ত বাসে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নাইজেরিয়ান নারী পর্যটক -
http://goo.gl/TU5EXD )
অ্যাসিড খাওয়ানোর ভয় দেখিয়ে ধর্ষন করা হল এক যুবতীকে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষেন পূর্ব দিল্লির অমন
কলোনী এলাকায়-
http://goo.gl/NKaSO5 )
খাবারের লোভ দেখিয়ে মূক বধির এক কিশোরীকে ধর্ষন
করেছে এক হিন্দু যুবক-
http://goo.gl/ydWkF1 )
ভারতে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি)
কার্যালয়ে ৫ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করা হয়েছে-
http://goo.gl/DmZLwE )
ভারতে পুলিশ কর্তৃক ৫ বছরের শিশু ধর্ষিত-
http://goo.gl/hDavQ2 )
ভারতে ধর্ষিত তিন নাবালিকা গর্ভবতীতে হয়ে পরায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি-
http://goo.gl/aEx9Ao )
ভারতে ধর্ষন একটা নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। এবার ভরতের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার
মহেশতলা মহিলাকে মাদক খাইয়ে অটোয় গণধর্ষণের
অভিযোগ-
http://goo.gl/Ci4YLV )
ভারতে একের পর এক ধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে এবার যুক্ত
হলো সেনাবাহিনীও। পাঁচ সন্তানের মা এক গৃহবধূকে এবার ধর্ষণ করলো এক সেনা সদস্য-
http://goo.gl/E4i7Y3 )
ভারতে ৯ বৎসরের এক শিশুকে ধর্ষন করেছে চকলেটের
প্রলোভন দেখিয়ে-
http://goo.gl/IsIapQ )
দিল্লির দামেনীর ঘটনার ক্ষত শুকাতে না শুকাতেই দিল্লীতে আবার বাসে গন ধর্ষনের শিকার হয়েছে ২৪ বছর বয়সী এক তরুনী-
http://goo.gl/QAu37B )
ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় নগরী জয়পুরে জাপানের এক নারী পর্যটককে ধর্ষণ করেছে এক হিন্দু গাইড-
http://goo.gl/EySghv )
পাঁচ বছরে ছাত্রীকে ১৭৫ বার ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে। মধ্য দিল্লির একটি স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী শৈলেন্দ্র কুমার নামে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে, সে যখন চতুর্থ শ্রেণিতে ছিল, তখন
থেকে ওই শিক্ষক ধর্ষণ করত-
http://goo.gl/423kry )

ভারতে স্কুল বাসে চার বছর বয়সী এক শিশু ধর্ষিত-
http://goo.gl/3N6Odg )
ট্রান্সফর্মারের সুইচ নিভিয়ে গোটা এলাকা অন্ধকার করে বাড়িতে ঢুকে দুই গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ভারতের হাওড়ার আমতায়। শুধু তাই নয়, মদ্যপ দুষ্কৃতকারীরা ব্লেড দিয়ে তাদের দেহের বিভিন্ন অংশ
ক্ষতবিক্ষত করেছে-
http://goo.gl/xw9aZl )
এই মহামারী আকারে ধর্ষনের জন্য বিদেশী পর্যটকদের
ভারতে যেতে নিষেধও করা হয়। জাপান, নাইজেরিয়া,
পোল্যান্ড সহ অনেক বিদেশী মহিলাদের ধর্ষন করার কারনে চিন্তিত পৃথীবিবাসী। ফলশ্রুতিতে ধর্ষনের কারনে ভারত ভ্রমণে নারীদের সতর্ক করছে সারাবিশ্ব-
http://goo.gl/lVkTSw )
অশ্লীল, অসভ্য, বর্বর, চরিত্রহীন ধর্ষনপ্রীয়জাতি হিন্দু দের
নিয়ে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
ভারতের হিন্দুদের ৯৮% মানুষের কোন বৈধ পিতা নাই।
অর্থাৎ ৯৮% হিন্দুর কোন প্রকৃত পিতার পরিচয় নেই।
সহজ ভাষায় যেটাকে বলা হয় বেজন্মা জাতি। দেখুন,
পরকীয়ার রাজ্য গুজরাটে ৯৮% পিতৃত্ব মিথ্যা -
http://goo.gl/OjLMYM )
এরকম অসংখ্য পিতার পরিচয়হীন সন্তান সেখানে প্রতিনিয়ত জন্ম নিচ্ছে। তাদের মধ্যে কন্যা শিশু গুলো
হত্যা করে ফেলছে বর্বর হিন্দুরা। গত ৩০ বছরে সেখানে
প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ কন্যা ভ্রুণ হত্যা করা হয়েছে
http://goo.gl/S8wzQx )
এত নোংরামী কেন হয় ভারতে হিন্দুদের মধ্যে? প্রশ্ন
আসাটাই স্বাভাবিক। উত্তরটা জেনে নিন। হিন্দুদের
ধর্মগত এবং জন্মগত স্বভাবই এর জন্য দায়ী। গ্লোবাল
ডেটিং ওয়েবসাইড অ্যাসলে মেডিসন পরিচালিত এই
জরিপে দেখা গেছে, ৭৬ শতাংশ ভারতীয় নারী এবং ৬১
শতাংশ ভারতীয় পুরুষ মনে করে পরকীয়া কোনো পাপ
বা অনৈতিক কাজ নয়। জরিপে অংশগ্রহনকারীদের
সকলেই বিবাহিত কিংবা কারো সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িত -
http://goo.gl/MFMx21 )
কতটুকু লম্পট জাতি হলে এমনটা সম্ভব? দেখুন লম্পট হিন্দুদের দেশ ভারতে দৈনিক ৫০ মিলিয়ন মানুষ পর্নোগ্রাফি দর্শন করে থাকে-
http://goo.gl/7hWeR2 )

অসভ্য বর্বর জাতি হচ্ছে হিন্দু জাতি। এখনো ৭০% এরও
বেশি হিন্দুর টয়লেট নেই বাড়িতে। যে কারনে তারা খোয়া
জায়গায় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়। আর সেই শৌচালয়ের অভাবে বাহিরে গেলে ভারতের মহিলারা
ধর্ষন হচ্ছে গনহারে-
http://goo.gl/OQeSrq )
এত ধর্ষন হয় যে ভারতে বাধ্য হয়ে ধর্ষণ প্রতিরোধক ব্রা তৈরি করেছে ভারতীয় প্রকৌশলীরা-
http://goo.gl/6po0nJ )
শেষ পর্যন্ত পৃথিবীবাসীর সামনে লজ্জায় পরে ভারতে ধর্ষণ নিয়ে তথ্যচিত্র প্রচারে নিষেধাজ্ঞা-
http://goo.gl/nCWM5P )
চারপাশে ধর্ষন দেখে অতিষ্ঠ এক নারী বললো, আমি দিল্লি থেকে এসেছি। এটা ভারতের রাজধানী। আবার এটা ভারতে ধর্ষণের রাজধানীও বটে! ভারতীয়রা মহিলাদেরকে শুধু বেশ্যা বা পতিতা ভাবে। আসলে আমরা ভারতীয়রা
হিপোক্রেট-
http://goo.gl/pNO0l0 )
এবার আসুন আসল কথায়। এতসব ধর্ষনের খবর দেখে মনে হতে পারে হিন্দু মালাউনের জাত মনে হয় খুবই যৌন বীর। ঘটনা কিন্তু মোটেও সেরকম নয়। প্রকৃত ঘটনা কি সেটা নিজেই পড়ে দেখুন। মূলত এই লম্পট হিন্দুরা এতই
শারীরিক অক্ষম যে, বিয়ের আগে ভারতে যৌন সক্ষমতা
পরীক্ষার সুপারিশ করা হয়েছে-
http://goo.gl/LV62FY )
হিন্দু অক্ষমতা কোন পর্যায়ের সেটা জানতে পারবেন নিচের এই প্রতিবেদনটা পড়লে-
Condoms 'too big' for Indian men ,BBC News, Delhi There is a "lack of awareness" over condom sizes A survey of more than 1,000 men in India has concluded that condoms made according to international sizes are too large for a majority of
Indian men.
http://goo.gl/GMvC )
http://goo.gl/EIEJ1q )
আর সেকারনেপারিবারিক জীবনে হচ্ছে ভায়নক বিপর্যয়। কেমন বিপর্যয় ? এই দেখুন, অক্ষমতার লজ্জা সইতে না পেরে স্ত্রীর সামনেই স্বামীর আত্মহত্যা-
http://goo.gl/94KCsS )

হে সম্মানিত পাঠক ! এবার আপনারাইবলুন, এই হিন্দু
মালাউন গুলো কি মানুষের শ্রেনীতে পরে ? শুধু যৌন
বিকৃতি লম্পট্য পৈশাচিকতা ছাড়া আর কি আছে তাদের
কাছে ? এমন পিশাচ বলেইতো হিন্দু মালাউন বিজেপি নেতা আদিত্যনাত প্রকাশ্য জনসভায় প্রশাসনের
উপস্থিতিতে নিজের দলের লোকদের বলেছে, "মুসলমান
মহিলাদের লাশ কবর থেকে তুলে ধর্ষন কর।" নাউযুবিল্লাহ!
http://goo.gl/wFXKEQ )
http://goo.gl/S8Ll6L )
এমন বিকৃত রুচির পিশাচ বলেই নিরীহ এক মুসলমানকে মিথ্যা ধর্ষনের অভিযোগ তুলে জেল ভেঙ্গে বের করে এনে
পৈশাচিক কায়দায় হত্যা করেছে। নাউযুবিল্লাহ
http://goo.gl/VbvOQt )
এদের পৈশাচিকতায় আজ ভারতের নিরীহ মুসলমান
অতিষ্ঠ। নির্যাতিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত হিন্দুদের দ্বারা। সমগ্র
বিশ্বের দেখা দরকার হিন্দুরা কত বর্বর। কতটা নোংরা
তাদের ধর্ম এবং কর্ম। সভ্য জগতের মানুষের উচিত হিন্দুদের দেশ থেকে বের করে আমাজান জঙ্গলে জঙ্গলীদের সাথে রেখে দেয়া।

বিঃদ্রঃ অনেক মালাউন কিংবা সুশীল সমাজের লোকরা বলতে পারে, বাংলাদেশে বা মুসলমান কোন দেশে কি ধর্ষন হয় না ?
উত্তর হচ্ছে, হয়। তবে হিন্দু দেশ ইন্ডিয়ার মত নয়। যে দেশে প্রতি মিনিটেই ধর্ষন হয় সেটা আর যাই হোক সভ্য কিছু হতে পারেনা। ইন্ডিয়ায় এক ঘন্টায় যে পরিমান প্রকৃতপক্ষে ধর্ষন হয় , বাংলাদেশ কিংবা কোন মুসলিম
দেশে এক বছরেও হয় না। আর আমি বলবো, বাংলাদেশে যে ধর্ষনগুলো হয় তার জন্য এই ইন্ডিয়া ১০০% দায়ী।
প্রশ্ন করতে পারেন কেন? উত্তর হচ্ছে, এই মালাউনদের বিকৃত অরুচিকর, অশ্লীল মিডিয়া, সিনেমা, সিরিয়াল দেখে কিছু লোক বিপথগামী হচ্ছে তারাই কিছু কিছু
অঘটন ঘটিয়ে বসছে। এর দায়ভারও হিন্দু ইন্ডিয়াকেই নিতেহবে।

  বিধবা বলতে কী বুঝি? জানা কথায় যে মহিলার স্বামী মারা যায় তাকেই বিধবা বলে। কিন্তু কোনো হিন্দু মহিলা যখন বিধবা হয়, তখন তার কী অবস্থা হয়, আসুন...